Skip to main content

রাগ নিয়ন্ত্রন করার ১১ উপায়।


হাসতে সবাই পছন্দ করে। তেমনি রাগ করাও মানবিক আচরণের মধ্যে পরে। তবে রাগ যদি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যায় তবে তা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়াতে পারে। আসুন জেনে নিই কিভাবে এই রাগ নিয়ন্ত্রন করতে পারেন।

১) সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল উলটো গোনা (countdown)। ১০,৯,৮,৭,৬,৫,৪,৩….. গুনতে থাকুন। এতে রাগ অনেকটাই কমে যায়।
২) বড় করে নিশ্বাস নিন। অক্সিজেন ব্রেইনে প্রবেশ করলেই চিন্তা ভাবনা করার ক্ষমতা বেড়ে যাবে।
৩) রাগ এর উৎস থেকে কিছুক্ষণের জন্য দূরে সরে আসুন।
৪) রাগ প্রকাশ করতে না পারলে সেটা আবার ক্ষতির কারন হয়ে দাড়াতে পারে। চেষ্টা করুন
অন্যভাবে রাগ প্রকাশ করতে। যেমন, বালিশকে মারতে পারেন, অথবা বাথরুম বা অন্য কোথাও একলা চিৎকার করে মনের ঝাল মিটিয়ে গালি দিন (!)। এতে মন অনেকটা হালকা হয়ে যায়।
৫) রেগে গিয়ে না চাইতেও আমরা উল্টাপাল্টা অনেক কিছুই বলে ফেলি যা পরবর্তীতে আমাদের ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়ায়। তাই কিছু বলার আগেই সেটা কাগজে লিখে ফেলুন। তারপর চিন্তা করে দেখুন কথাটা বলা কতটা যুক্তিসঙ্গত।
৬) অযথা রেগে না গিয়ে চিন্তা করুন কিভাবে সমস্যাটাকে সমাধান করা যায়।
৭) যদি পারেন যার কারনে আপনার ব্রহ্মতালুতে আগুন জলছে তাকে ক্ষমা করে দিন। এটা আপনার এবং তার দুজনের জন্যেই ভাল ফল নিয়ে আসবে।
৮) রাগ কমানোর ভাল একটি উপায় হল – যদি আপনি দাঁড়িয়ে থাকেন তবে বসে পড়ুন, আর বসে থাকলে শুয়ে পড়ুন। এর ফলে আমাদের ব্রেইন চিন্তা ভাবনা করার সময়টুকু পায়।
৯) যুক্তি দিয়ে নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করুন যে রেগে গেলে শুধু নিজেরই ক্ষতি হবে , তার কোন ক্ষতি হবেনা। এতে আপনাআপনি রাগ কমে আসে।
১০) আরেকটি দারুণ উপায় হল – যখনি আপনি রেগে যাবেন চিন্তা করতে থাকুন আপনার প্রিয়জনদের কথা। তাদের সাথে কাটানো প্রিয় সময়গুলোর কথা। এর ফলে রাগ গলে পানি হয়ে যেতে বাধ্য।
১১) চেষ্টা করুন প্রতিদিন যোগব্যায়াম করতে। এর ফলে আমাদের সহ্যক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।
আমি ডাক্তার নই। এই সব তথ্য আমি বিভিন্ন ব্লগ থেকে সংগ্রহ করেছি। কারন আমি নিজেও একটু বদমেজাজী। অল্পতেই রেগে যাই। আমার জন্য এইসব টিপস দারুন কাজ দিয়েছে।
তবে মজার কথা হল বেশিরভাগ সময় আমরা রেগে গেলেও প্রকাশ করিনা। এর ফলে নিজে তো ক্ষতিগ্রস্ত হই , আশেপাশে থাকা মানুষগুলির মধ্যেও এর প্রভাব পড়ে।
তাই হাসুন প্রাণখুলে।
মোঃ বিপ্লব হোসেন  

Comments

Popular posts from this blog

সন্তান আবাধ্য হলে যা করবেন।

সন্তান অবাধ্য— এই অভিযোগ নেই এমন বাবা-মা খুঁজে পাওয়াই কঠিন। অবাধ্য ছেলে বা মেয়ের দৌরাত্ম্য নিয়ে আত্মীয় বা বন্ধু মহলে আলোচনাও কম হয় না। কিন্তু ভেবে দেখেছেন, কেন কথা শোনে না আপনার সন্তান? তা কি কেবলই তার দোষ, না কি সেখানে কোনও ফাঁক থেকে যাচ্ছে আপনার ক্ষেত্রেও? সন্তানকে উপযুক্ত করে লালন করার ক্ষেত্রে বাবা-মায়েরা ধারণা করেন, বাচ্চারাও আমাদের মতো। আমরা যা বুঝি তারাও তা বোঝে বা আমরা যা পছন্দ করি এরাও তাই পছন্দ করবে। এটা বুঝি না যে, বাচ্চা যদি আমার মতোই বুঝত তাহলে তো সে বাচ্চা হতো না। এজন্যে সে যেভাবে বুঝবে তাকে সেভাবেই বুঝাতে হবে। এক্ষেত্রে পারিবারিক সম্পর্ককে শ্রদ্ধাপূর্ণ ও মমতাপূর্ণ করা এবং সন্তানকে সবসময় আদেশ-নির্দেশ না দিয়ে উদ্বুদ্ধ করলে, পরিশ্রমী এবং কষ্টসহিষ্ণু করে তুললে। সন্তান আপনার কথাই শুনবে। সন্তানকে কথা শুনাতে যা করবেন: ১. তিরস্কার বা সারাক্ষণ আদেশ-নির্দেশ করতে থাকলে সন্তান ভাবতে পারে যে আপনি বোধ হয় তার প্রতিপক্ষ। তাই সন্তানকে তিরস্কার থেকে বিরত থাকুন। কারণ আপনি সন্তানের বন্ধু-এই অনুভূতিটি তার বিকাশের জন্যেই জরুরি। আর বড়দের মতো ছোটদের জন্যেও এই ব্যাখ্যাটা জরুরি যে সে কেন...

একনজরে দেখে নেওয়া যাক বিপিএলের সূচি 2019

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ষষ্ঠ আসর শুরু হচ্ছে আগামীকাল শনিবার। খেলা হবে তিনটি ভেন্যুতে—ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রামে। আসরের উদ্বোধনী দিনে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে প্রথম ম্যাচে গতবারের চ্যাম্পিয়ন রংপুর রাইডার্স মুখোমুখি হবে চিটাগং ভাইকিংসের। দিনের অন্য ম্যাচে লড়বে ঢাকা ডায়নামাইটস ও রাজশাহী কিংস। আসরে প্রায় প্রতিদিন দুটি করে ম্যাচ থাকছে। শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন প্রথম ম্যাচ শুরু দুপুর সাড়ে ১২টায়। আর বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে শুরু হবে দ্বিতীয় ম্যাচ। অবশ্য শুক্রবারের প্রথম ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ২টায়, আর রাতের ম্যাচ সন্ধ্যা ৭টায়। একনজরে দেখে নেওয়া যাক বিপিএলের সূচি  :   ভেন্যু  :  মিরপুর   শেরেবাংলা   স্টেডিয়াম ,  ঢাকা দিন ও তারিখ প্রথম ম্যাচ দ্বিতীয়   ম্যাচ শনিবার, ৫ জানুয়ারি রংপুর রাইডার্স-চিটাগং ভাইকিংস      ঢাকা ডায়নামাইটস-রাজশাহী কিংস রোববার, ৬ জানুয়ারি             কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস-সিলেট সিক্সার্স খুলনা টাইটানস-রংপুর রাইডার্স মঙ্...
  বার্ড ফ্লু: মানুষের মধ্যে বিরল এক ভাইরাসের প্রথম কেস ধরা পড়লো চীনে ছবির উৎস, GETTY IMAGES ছবির ক্যাপশান, হাঁস-মুরগী প্রতিপালনের সাথে যারা জড়িত তাদের মধ্যে বার্ড ফ্লু'র সংক্রমণ কখনও কখনও ঘটে থাকে। চীনে ৪১-বছর বয়স্ক এক ব্যক্তি বার্ড ফ্লু'র এক বিরল ধরনে আক্রান্ত হয়েছেন। মানব দেহে এই স্ট্রেইনের সংক্রমণ এটাই প্রথম। এই ব্যক্তি কীভাবে সংক্রমিত হলেন কর্মকর্তারা সে সম্পর্কে বিস্তারিত প্রকাশ করেনি। তবে H10N3 ধরনের বার্ড ফ্লু মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায় না বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত সপ্তাহে জিংশু প্রদেশের বাসিন্দা ঐ ব্যক্তির দেহে এই বার্ড ফ্লু'র সংক্রমণ ধরা পড়ে। চিকিৎসার পর তিনি এখন সেরে উঠছেন। বার্ড ফ্লু'র অনেকগুলো ধরন রয়েছে। হাঁস-মুরগি নিয়ে যাদের কারবার তাদের মাঝেমধ্যে এই ফ্লু হয়ে থাকে। সংক্রমণের বিস্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এই ভাইরাসের অন্য কোন কেস খুঁজে পাওয়া যায়নি। বেইজিং-এর জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন মঙ্গলবার জানিয়েছে, ঝেনজিয়াং শহরের ঐ বাসিন্দা গত ২৮শে এপ্রিল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এবং এর এক মাস পর তার দেহে H10N3-এর সংক্রমণ ধরা পড়ে।